STUDY MATERIAL

বিদ্যাচর্চা কেন্দ্রের পাঠ সংকলন
(প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ-প্রাথমিক স্তরের পাঠ্য)

বাংলা, অঙ্ক ও ইংরেজি শেখার এই বইগুলি প্রাক্‌-প্রাথমিকের বুনিয়াদি শিক্ষা থেকে শুরু করে উচ্চ-প্রাথমিক স্তরের জন্য । বইগুলি গত 2014 সাল থেকে বীরভূমের ফুলডাঙা বিদ্যাচর্চা কেন্দ্রে শিশুদের লেখাপড়া শেখানোর প্রচেষ্টার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ফসল। 

বাজারে শিশুশিক্ষার পাঠ্যপুস্তক যেসব মেলে সেগুলির থেকে এই বইগুলির ধরন অনেকটাই আলাদা। প্রাক্‌-প্রাথমিক বা প্রাথমিক শিক্ষার আরম্ভেই শিশুরা নিজেরাই বই পড়বে এমনটা নয়। অথচ শিশুশিক্ষার বই যা বাজারে মেলে বা সরকার ইস্কুলে পাঠ্যপুস্তক হিসাবে দিয়ে থাকেন সেসব নানা রঙের ছবিতে ঠাসা, অতিশয় বড় হরফে ছাপা বিশাল আকারের মোটাসোটা বই। সরকারের দেওয়া প্রাথমিকের প্রথম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক “আমার বই” হল 524 পাতার একটি বড় সাইজের বই। এক শিক্ষাবর্ষে 6 বছর বয়েসের শিশু কি এই বই পড়ে ফেলবে?  মনে হয়না ইস্কুলের শিক্ষকেরাও পারেন এই বই পড়াতে । অগত্যা তাঁরা যতটা যা পারেন তাঁর মতো করেই শিশুকে শিখিয়ে পড়িয়ে দিতে বাধ্য হন।  

আমরা শিক্ষানীতিতে বলি শিশুর ইস্কুল ব্যাগের বোঝা কমাও, আর যেকরে পারি শিশুশিক্ষার বইকে করে তুলি বিশাল। এর লক্ষ্য হয়ত শিক্ষাবাজারে পুস্তকের দাম বাড়ানো। শিশুর হাতের লেখা শেখার সময়  বর্ণগুলির বড় হরফ লাগে। কিন্তু পড়ার বইয়ের হরফ বড় হতে হয় এমনটা আদৌ নয়। শিশু চোখের দৃষ্টির মাপে সাধারণ পাঠ্য বইয়ের হরফই যথেষ্ট বড় দেখায়। কিন্তু আজকাল বাজারে প্রচলিত ও সেখান থেকে আমাদের অনেকেরই ধারণা হয়ে গেছে যে শিশুর পড়ার বইয়ের হরফ নাকি বড় হতে হয় ও সেখানে থাকতে হয় নানা রঙে ছাপা অনেক অনেক ছবি। এই করে বইগুলি হয়ে গেছে বিশাল আকারে মোটাসোটা বই যা শিশুর কাছে ভীতিপ্রদ ও বিভ্রান্তিকর।

 রঙচঙে নানান ছবিতে শিশুভোলানো বই আমাদের উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য, শিশু চোখে দেখার, শিশু হাতে নাড়াচাড়ার উপযোগী, আকার আয়তনে ছোট স্বাভাবিক পুস্তিকা যা শিশুর কাছে ভীতিপ্রদ হবে না। তাই অযথা বড় হরফ, ও নানান রঙের ছবির মেদবাহুল্য বর্জন করে শিশুর শেখার ধাপে ধাপে যা শেখার, যতটুকু শেখার সেটুকুই সহজ করে রাখা হয়েছে বিদ্যাচর্চা কেন্দ্রের পাঠ সংকলনগুলিতে। প্রাক্-প্রাথমিকের হাতেখড়ি থেকে শুরু করে বাংলা, অঙ্ক ও ইংরেজি শেখার যা কিছু আবশ্যিক তা পাঠে ভাগ করে এই বইগুলিতে রাখা আছে। সাধারণ পাঠ্যপুস্তকে সচরাচর মেলে না, এমন কিছু বিষয়, যেমন ঠিকভাবে পেনসিল ধরা, টানা হাতে লেখার অভিমুখ, ইংরেজি শব্দের উচ্চারণ ও ভেঙে ভেঙে বড় বড় শব্দ পড়া, বিরাম দিয়ে ও ভেঙে ভেঙে অর্থ বুঝে বাক্য পড়া, হাতের কর গুনে ছোট ছোট সংখ্যার যোগবিয়োগ, ইত্যাদি এই পাঠ সংকলনগুলিতে পাওয়া যাবে। 

   ‘ইংরেজি ব্যাকরণ নির্দেশিকা’ ও ‘কমপিউটার চালানো শেখা ও জানা’, এই বই দুটির ব্যবহার উচ্চ-প্রাথমিকের পরেও প্রয়োজন হতে পারে।  ‘Learning Bengali as a Second Language – Part I’ বইটি মূলত প্রবাসী বাঙালিদের ঘরের শিশুদের বাংলা ভাষা শেখার জন্য। অবশ্য আজকাল অনেক বঙ্গবাসী বাঙালির ঘরেও শিশুরা ইস্কুলে প্রথম ভাষা হিসাবে ইংরেজি শিখছে।  বাংলা লিখতে পড়তে শেখা তাদের আর তেমন হয়ে ওঠে না। বাংলা লিখতে পড়তে শেখার আগ্রহ হলে তারাও হয়ত এই বইটি ব্যবহার করতে পারে।    

বইগুলি যথা সম্ভব প্রাঞ্জল করে সহজ বাংলায় লেখা ও শেখার বিষয়গুলিকে ধাপে ধাপে পাঠে ভেঙে রাখা হয়েছে। বাংলা পড়তে লিখতে জানেন এমন অভিভাবক বা স্থানীয় মানুষজনও শিশুকে লেখাপড়া শেখায় সহায়তা করতে পারবেন। এই বইগুলি থেকে শেখার বুনিয়াদটা হওয়ার পরে শিশুরা পরবর্তীকালের লেখাপড়া নিজেরাই বই পড়ে করে নিতে পারবে।       

এই বইগুলি ডাউনলোড করে কমপিউটারে প্রিন্ট করেও নেওয়া যাবে। বইগুলি টাইপসেট করা আছে 8”x5”  পাতার মাপে । 16 পাতা ফর্মা করে প্রিন্ট করে নিতে হবে। কীভাবে প্রিন্ট করতে হবে বলেও দেওয়া আছে।

লেখাপড়ায় হাতেখড়ি – বাংলা, অঙ্ক ও ইংরেজির বুনিয়াদী পাঠ

যাঁরা শিশুকে হাতে ধরে লেখাপড়া শেখাবেন তাঁদের জন্য এই বই । যে শিশু পড়তেই শেখেনি তার পড়ার জন্য বড় বড় হরফে ছাপা মোটাসোটা রঙচঙে বই অর্থহীন। শিশুর লেখাপড়ার শুরু, বা বুনিয়াদটা শিশুকে করে দিতে হয় হাতে ধরে, যথাসম্ভব বাড়িতেই। এই বইটির উদ্দেশ্য, শিশুর লেখাপড়া শেখার ভিত বা বুনিয়াদ ঠিকভাবে গড়ে দিতে শিশুকে কী শেখাব, কীভাবে শেখাব, তা সুনির্দিষ্ট করা।   

শিশু-চোখে দেখার ও শিশু-হাতে নাড়াচাড়ার উপযোগী, আকার-আয়তনে স্বাভাবিক ও ছোট বই চাই। তাই রঙীন ছবি, বড় বড় হরফ ইত্যাদির বাহুল্য বর্জন করে, লেখাপড়া শেখার শুরুতে যা শেখার, যতটুকু শেখার, সেটুকুই স্পষ্ট করে ধাপে ধাপে ভেঙে রাখা হয়েছে। হাতেখড়ি থেকে শুরু করে বুনিয়াদি স্তরে ইস্কুলের পাঠ্যক্রমে বাংলা, অঙ্ক ও ইংরেজি শেখার যা কিছু আছে তা সবই এখানে সহজ করে পাওয়া যাবে। অধিকন্তু, পাঠগুলিতে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে, যাতে শিশুরা যেন বুঝে শেখে ও শেখার পথে যতদূর সম্ভব কম হোঁচট খায়, ও তাই শিখতে উৎসাহ পায়।

অঙ্ক শেখায় হাতেখড়ি – পাটিগণিত প্রথম খণ্ড

এই বইয়ের দুটি খণ্ডে পাওয়া যাবে বাংলা ভাষায় পাটিগণিতের প্রারম্ভিক পাঠগুলো। এর আগে অঙ্ক শেখার বুনিয়াদি পাঠে 100 পর্যন্ত সংখ্যা ও সহজ যোগ-বিয়োগ শেখানো হয়েছে “লেখাপড়ায় হাতেখড়ি” বইটিতে। ইংরেজি মাধ্যমে লেখাপড়া করছে এমন বাংলাভাষী শিক্ষার্থীরাও এই বইটি ব্যবহার করতে পারে, নিজের ভাষায় সহজ করে অঙ্ক বোঝা ও শেখার জন্য। তাদের সুবিধার্থে অঙ্কের বিষয়গুলির বাংলা নামের ইংরেজি প্রতিশব্দ রাখা হয়েছে পাঠগুলিতে ও তার নির্দেশিকা বইয়ের শেষে Subject Index-য়ে দেওয়া হয়েছে। আজকাল ইংরেজি সংখ্যার ব্যবহার প্রায় সর্বত্র। তাই এখানে ইংরেজি সংখ্যাই রাখা হল, যদিও এগুলি বলব বাংলাতেই। 

বইটি পড়া লেখার মাধ্যমে অঙ্ক শেখার সাবেকী বইগুলির মতোই – শিশুহাতে নাড়াচাড়া উপযুক্ত সাধারণ আকৃতির বই যা ভীতিজনক নয়, যেখানে সহজ করে বোঝানো হয়েছে অঙ্কের ধারণা ও পদ্ধতিগুলো, আর আছে যথেষ্ট সংখ্যায় উদাহরণ ও অনুশীলনের অঙ্ক । লেখাপড়া জানা অভিভাবক বা স্থানীয় মানুষজনও এই বইটি থেকে ছেলেমেয়েদের অঙ্ক শেখায় সাহায্য করতে পারবেন।

অঙ্ক শেখায় হাতেখড়ি – পাটিগণিত দ্বিতীয় খণ্ড

‘অঙ্ক শেখায় হাতেখড়ি – পাটিগণিত’ বইটির প্রথম খণ্ডে B­R পাটিগণিতের প্রারম্ভিক পাঠগুলো। এই খণ্ডে রাখা হল পাটিগণিতের পরবর্তী পাঠগুলো। ইস্কুল শিক্ষার শ্রেণিভিত্তিক পাঠ্যক্রম অনুসারে প্রথম খণ্ডের পাঠগুলি দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির উপযোগী। এই খণ্ডে রাখা হল ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির পাঠগুলি। 

প্রথম খণ্ডের মতোই এই খণ্ডেও অঙ্কের বিষয়গুলির বাংলা নামের ইংরেজি প্রতিশব্দ রাখা হয়েছে পাঠগুলিতে ও তার নির্দেশিকা বইয়ের শেষে Subject Index-য়ে। সহজ করে বোঝানো হয়েছে অঙ্কের ধারণা ও পদ্ধতিগুলো, আর আছে যথেষ্ট সংখ্যায় উদাহরণ ও অনুশীলনের অঙ্ক ।  লেখাপড়া জানা অভিভাবক বা স্থানীয় মানুষজনও এই বইটি থেকে ছেলেমেয়েদের অঙ্ক শেখায় সাহায্য করতে পারবেন।

দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে ইংরেজি শেখা – প্রথম খণ্ড

“লেখাপড়ায় হাতেখড়ি” বইয়ের ইংরেজি শেখার বুনিয়াদি পাঠের পর শিখতে হবে এই বইয়ের পাঠগুলি। প্রথম কথোপকথনের ভাষা যাদের ইংরেজি নয়, বা ইংরেজিতে কথা বলা-শোনা তেমন ঘটে না, তাদেরও কি বর্ণ পরিচয় করিয়ে দিয়েই গদ্য-পদ্য পড়া লেখা আর শব্দার্থ মুখস্থ করানো, এই পদ্ধতিতে ইংরেজি শেখানো সম্ভব?  

এই বইয়ে ইংরেজি ভাষা শেখানোর পদ্ধতি অন্য । প্রথমত, মাতৃভাষা বা প্রথম ভাষার (এখানে বাংলা) মাধ্যমে দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে ইংরেজি শেখা। দ্বিতীয়ত, গদ্য ও পদ্যের ভাষা নয়, বর্ণ পরিচয়ের পরে আরম্ভ হবে কথোপকথনে নিত্য ব্যবহারের মৌখিক ইংরেজি ভাষা বার বার নিজেই পড়ে ও জোরে বলে নিজেই শোনার মাধ্যমে শেখা। এইভাবে বার বার পড়া ও লেখায় ইংরেজি ভাষার বিভিন্ন ধরনের ছোট ও সহজ বাক্যের গঠন রপ্ত হবে।        

   বাংলা পড়ে বুঝতে পারেন এমন সকলেই এই বইয়ের পাঠগুলো ধরে ইংরেজি শিখতে ও শেখতে পারবেন। আরম্ভেই গদ্য ও পদ্যের ভাষার বদলে কথ্য ভাষায় রোজকার সাধারণ জীবনের কথা বলার ইংরেজি বাক্যগুলির অর্থ বোঝা ও গঠনগুলি রপ্ত করা অনেকটাই সহজ হবে। ইংরেজি বাক্য গঠনে ব্যবহার হয় সহায়ক শব্দগুলি (auxiliary verb) ধাপে ধাপে শিখিয়ে কয়েকটা মাত্র শব্দ দিয়েই কীভাবে কত রকমের বাক্য তৈরি হয় তা বোঝানো ও অনুশীলন করানো হয়েছে। ইংরেজি বাক্যের টেন্‌স (tense) বুঝতে বিশেষ সমস্যা হয়। তাই টেন্‌সগুলি মিলিয়ে-মিশিয়ে নয়, বিশেষ সাবধানতায় বিভিন্ন পাঠে ভাগ করে বর্তমান, অতীত, অ ভবিষ্যৎ কালের বাক্যের গঠন শেখানো ও অনুশীলন করানো হয়েছে। এই খণ্ডে আছে দুটি ভাগ। প্রথম ভাগে বর্তমান কালের আর দ্বিতীয় ভাগে অতীত ও ভবিষ্যৎ কালের বাক্যের গঠন শেখানো হয়েছে।

দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে ইংরেজি শেখা – দ্বিতীয় খণ্ড

এই বইয়ের প্রথম খণ্ডে অল্প কিছু শব্দ নিয়ে শেখানো হয়েছে ইংরেজি ভাষায় auxiliary verb-য়ের ব্যবহার ও tense অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সহজ বাক্যের গঠন। প্রথম খণ্ডের পাঠগুলি রপ্ত করার পর দ্বিতীয় খণ্ডের পাঠে শিখতে হবে বিভিন্ন ধরনের শব্দের বৈশিষ্ট্য ও বাক্যে ব্যবহার। এই পাঠগুলি রাখা আছে এই বইয়ের প্রথম ভাগে। 

প্রথম খণ্ডে ছিল কেবল মাত্র সহজ বাক্যের গঠন। কারণ, সেখানে লক্ষ্য ছিল বাক্য গঠনে auxiliary verb tense সহজ করে বোঝানো। এরপর এই বইয়ের দ্বিতীয় ভাগে রাখা হল অন্যান্য ধরনের বাক্যের গঠন, যেমন জটিল ও যৌগিক বাক্য, কর্মবাচ্য, উপবাক্য, ইত্যাদি।

এই পাঠগুলি অনেকাংশে ব্যাকরণমূলক হলেও এর উদ্দেশ্য ইংরেজি ব্যাকরণ শেখানো নয়। এখানে লক্ষ্য হল, বাক্যে বিভিন্ন ধরনের শব্দ ব্যবহার কীভাবে করতে হয়, ও বিভিন্ন ধরনের বাক্যের গঠন কেমন হয় শেখানো। শিক্ষার্থীর প্রয়োজন হলে ইংরেজি ব্যাকরণের বিষয়গুলির সহজ ব্যাখ্যা দেখে নিতে পারবে ‘ইংরেজি ব্যাকরণ নির্দেশিকা’ বইটি থেকে।

এই বইয়ের প্রথম খণ্ডে অল্প কিছু শব্দ নিয়ে শেখানো হয়েছে ইংরেজি ভাষায় auxiliary verb-য়ের ব্যবহার ও tense অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সহজ বাক্যের গঠন। প্রথম খণ্ডের পাঠগুলি রপ্ত করার পর দ্বিতীয় খণ্ডের পাঠে শিখতে হবে বিভিন্ন ধরনের শব্দের বৈশিষ্ট্য ও বাক্যে ব্যবহার। এই পাঠগুলি রাখা আছে এই বইয়ের প্রথম ভাগে। 

প্রথম খণ্ডে ছিল কেবল মাত্র সহজ বাক্যের গঠন। কারণ, সেখানে লক্ষ্য ছিল বাক্য গঠনে auxiliary verb tense সহজ করে বোঝানো। এরপর এই বইয়ের দ্বিতীয় ভাগে রাখা হল অন্যান্য ধরনের বাক্যের গঠন, যেমন জটিল ও যৌগিক বাক্য, কর্মবাচ্য, উপবাক্য, ইত্যাদি।

এই পাঠগুলি অনেকাংশে ব্যাকরণমূলক হলেও এর উদ্দেশ্য ইংরেজি ব্যাকরণ শেখানো নয়। এখানে লক্ষ্য হল, বাক্যে বিভিন্ন ধরনের শব্দ ব্যবহার কীভাবে করতে হয়, ও বিভিন্ন ধরনের বাক্যের গঠন কেমন হয় শেখানো। শিক্ষার্থীর প্রয়োজন হলে ইংরেজি ব্যাকরণের বিষয়গুলির সহজ ব্যাখ্যা দেখে নিতে পারবে ‘ইংরেজি ব্যাকরণ নির্দেশিকা’ বইটি থেকে।

ইংরেজি ব্যাকরণ নির্দেশিকা

এই বইটি ইংরেজি ব্যাকরণ শেখানোর পাঠ্যপুস্তক নয়, যেখানে পাঠে ভাগ করে ইংরেজি ব্যাকরণের আলোচনা পাওয়া যায়। বইটি মূলত একধরনের সহায়িকা বা অভিধান, যেখানে ইংরেজি ব্যাকরণগত শব্দগুলির সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা ও অর্থ বাংলা ভাষায় সহজ করে বুঝিয়ে বলা হয়েছে।  

আজকাল ইস্কুলের পাঠ্যক্রমে আর আলাদা করে ইংরেজি ব্যাকরণ শেখানো হয় না। ফলে ইংরেজি ব্যাকরণ বিষয়ে  ইস্কুল স্তরের কোনও পুস্তকও আর বাজারে মেলে না। অথচ, পড়া লেখার মাধ্যমে ভাষাটি শেখার সময় ইংরেজি ব্যাকরণের শব্দাবলী এসেই পড়ে ও ইস্কুলের পাঠ্যে তার উল্লেখও দেখা যায়। এই কারণে, ইংরেজি ভাষা শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে এই বইটি লেখা। 

বিভিন্ন শব্দের ব্যাখ্যা সম্বলিত এই ধরনের পুস্তকের শেষে থাকে শব্দ-নির্দেশিকা বা Glossary । এখানে কোনও পাঠ নয়, আছে শব্দ-নির্দেশিকা । এই বইটি ব্যবহার করতে হবে শব্দ-নির্দেশিকায় দেওয়া পৃষ্ঠা-নির্দেশ থেকে ইংরেজি ব্যাকরণের নির্দিষ্ট কোনও শব্দের অর্থ দেখে নিতে।

কমপিউটার চালানো শেখা ও জানা

কমপিউটার আজকাল আমাদের রোজকার জগতে ঢুকেই পড়েছে। ফলে একটু-আধটু কমপিউটার চালানো, কমপিউটারের সাথে মোটামুটি পরিচয়, ও বিষয়টা সম্বন্ধে ন্যূনতম কিছু জানা ও শেখা আজ সাধারণ ইস্কুল শিক্ষাতেও অপরিহার্য । সেইমতো আজকাল সব ইস্কুলেই কমপিউটার রাখা থাকে। প্রত্যন্ত গ্রামের ইস্কুলেও দেখা মেলে দু-একটি কমপিউটারের। 

আরম্ভে একটু দেখিয়ে দিলে ও হাতে নিয়ে নাড়াচাড়ার সুযোগ পেলে প্রাথমিক ইস্কুলের শিশু-শিক্ষার্থীও নিজেই কাজ চালানোর মতো কমপিউটার চালানো খানিকটা শিখে নেয়। কমপিউটার চালানোটা হাতেকলমেই শিখতে হয়। ওটা কেবল পড়া লেখা করে শেখার নয়। তাহলেও, চালানোর কোনও পর্যায়ে কোথাও আটকে গেলে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়, কেউ দেখিয়ে না দিলে বা কোনও বই থেকে পড়ে সে ব্যাপারে জানা না গেলে। তাছাড়া শুধুমাত্র একটু-আধটু চালানো নয়, আরও একটু জানতে বা বুঝতে গেলেই প্রয়োজন হয় একটা সহজ করে লেখা প্রাথমিক পর্যায়ের বই, যেখানে বলা থাকবে কমপিউটার চলে আর বিভিন্ন কাজ করে দেয় কী প্রক্রিয়ায় (Software) ও কমপিউটার যন্ত্রটায় আছে কী (Hardware)

সমস্যা হল, কমপিউটার বিজ্ঞান পাল্টাচ্ছে অতি দ্রুত। তাই কমপিউটার বিষয়ক বই অতি দ্রুত অপ্রাসঙ্গিক বা অসম্পূর্ণ হয়ে পড়ে। তাহলেও কমপিউটারের মূল কাঠামোটি (Basic Input Output System বা BIOS) মোটের ওপর একই আছে। এই বইটি 2019 সালে লেখা হলেও, এর বিষয় বস্তু যেহেতু কমপিউটার বিষয়টার মূল কাঠামো সম্বন্ধে প্রারম্ভিক সাধারণ জ্ঞান, তাই এর প্রয়োজন এখনো রয়ে গেছে। প্রয়োজনমতো কমপিউটারের একটু মেরামতি ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারবেন আর শিক্ষার্থীকেও একটু শিখিয়ে পড়িয়ে দিতে পারবেন এমন শিক্ষক শহরাঞ্চলে মিললেও প্রত্যন্ত গ্রামে মিলবে না। এই অভাব হয়ত কিছুটা মিটতে পারে এই বইয়ের সাহায্যে। 

Learning Bengali as a Second Language – Part I

There are several books (e.g. ‘Learn Bengali in 30 Days’), and videos as well as online short courses offering some working knowledge in speaking Bengali, for the tourists and persons visiting Bengal for a short duration. The purpose of his book is however different. It is meant for the persons who know English and desire to learn Bengali as a language so that they may read and write Bengali texts. Such book appears to be rather scarce, though its requirement is strongly felt among the Bengali Diaspora, whose children get little opportunity to learn Bengali as a language. Moreover, foreign academics desiring to read Bengali texts in original face the same problem. 

This book is planned in two parts. In Part I there are lessons for learning the alphabets, their pronunciation, conjugate forms of Bengali alphabets, reading and writing words formed by the alphabets. In Part II, there are lessons for learning the sentence structure of Bengali with the special emphasis on using Bengali Verbs. In Bengali no Auxiliary Verbs are required. This is in contrast to English. Also the use of ‘Bibhakti’ in place of Prepositions used in English is explained in the lessons.

লেখাপড়ায় হাতেখড়ি থেকে শুরু করে ১০ বছর বয়েস (ইস্কুলে প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণি) পর্যন্ত শিশু ধাপে ধাপে কী কী শিখবে তার পাঠ্যক্রম ও সেই অনুসারে একটা মূল কাঠামোয় পাঠগুলি নির্মাণ করা হয়েছে বাংলা ভাষায়। কিন্তু প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে মাতৃভাষার মাধ্যমে শিশুশিক্ষার বিস্তারে প্রয়োজন বিভিন্ন স্থানীয় ভাষায় পাঠগুলির ভাষান্তর করে নেওয়া। শিশুশিক্ষায় মাতৃভাষার প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে কাগজেকলমে কোনও দ্বিমত না থাকলেও এই কাজটা যেন আর কিছুতেই হয়ে উঠছে না। ভারতের রাজ্যগুলিতে ভাষা বৈচিত্র্য এতটাই বিস্তৃত যে ছোট ছোট স্থানীয় জনগোষ্ঠির ভাষায় শিশুশিক্ষার পাঠ্যপুস্তক তৈরি করা হয়তো কেন্দ্রীয়ভাবে কোনও সরকারি উদ্যোগের পক্ষে সম্ভব নয়। অন্যদিকে এই ধরনের স্থানীয় ভাষায় পাঠ্যপুস্তকের বাজারি চাহিদা কোথায় যে কোনও লেখক বা প্রকাশক এই কাজে উৎসাহী হবে? অথচ বিভিন্ন রাজ্যে কেবলমাত্র স্বীকৃত প্রাদেশিক ভাষাতে ইস্কুলে শিশুশিক্ষার আয়োজনে যে ক্রমশ বিপন্ন হয়ে পড়ছে ছোট ছোট জনগোষ্ঠির ভাষাগুলি, হারিয়ে যাচ্ছে রাজ্যের ভাষা বৈচিত্র্য ! কাজটা তাই স্থানীয় গোষ্ঠিসমাজের উদ্যোগেই করতে হবে। স্থানীয় জনগোষ্ঠির ভাষার পাশাপাশি বাংলা (বা ইংরেজি) ভাষাটাও পড়তে লিখতে জানেন এমন কোনও ব্যক্তি বিদ্যাচর্চা কেন্দ্রের পাঠ সংকলনগুলির ভাষান্তর করে দিলে তা সাদরে গ্রহণ ও ভাষান্তরের লেখক হিসাবে তাঁর অনুমতিক্রমে এখানেই প্রকাশ করা হবে। এছাড়া স্থানীয় ভাষায় লেখা অন্যান্য বিষয়েও শিশুপাঠ্যের পুস্তক এখানে প্রকাশ করা যেতে পারে। বিদ্যাচর্চা কেন্দ্রের আশা, এই পথে স্থানীয় উদ্যোগে স্থানীয় ভাষায় শিশুশিক্ষার পাঠ্যপুস্তকের এক ভাণ্ডার গড়ে তোলা যাবে। এই স্বপ্ন পূরণ হলে মা-বাবা বা স্থানীয় অভিভাবকরাও চাইলে পারবেন তাঁর নিজের ভাষাতেই তাঁর শিশুকে অন্তত অঙ্কের যোগ-বিয়োগ আর গুণ-ভাগ এবং সরকারের মান্য ও চলিত প্রাদেশিক ভাষাটা বাড়িতেই দেখিয়ে দিতে।

You also may take it as your mission, improvise and
work independently to do your bit or
support others